হৃদি কেবলই চংপ্রেং বাজায়

হারাধন বৈরাগী
স্রোত প্রকাশনা
২০১৮

হাসমতি ত্রিপুরার পর মিলনকান্তি দত্ত "হৃদি কেবলই চংপ্রেং বাজায়" এর ভূমিকা পৃষ্টায় যা লিখলেন:

আমাদের আপলোড বলতে শুধুই ভণ্ডামো।আমাদের ডাউনলোড বলতে শুধুই পাপগত দিনক্ষয়,” আমাদের” বলতে সময় ।আমরা তো মূলত সময়ের নাগরিক ।খারাপ সময়ের মধ্যে ভাল থাকাটাও একটা প্রতিবাদ।হারাধন বৈরাগীর কবিতা এমনই এক প্রতিবাদ, যা প্রতিবোধেরই প্লুতস্বর।কবিতা বাস্তবের প্রতিবিম্ব নয়, বরং প্রতিবিম্বময় অন্যধরনের বাস্তব, যা অতিবাস্তবতার সন্ধান দেয়,,অন্তত চেতনার কাছে।’জঙ্গল আকাশ করেছি-আকাশ জঙ্গল’-জঙ্গলে তাঁর ভালবাসার শিকড়, শিখর তাঁর আকাশ সন্ধানী।কবিতার সমগ্র জুড়ে বনপারুকের ডাক, ধ্বনি থেকে ধ্বন্যান্তরে গমনাগমন, উল্টাছড়ার গীত, কোনো কোনো কবি এই তাললয়েই তিপরাইবাঁশি, অথচ এখানেই জালের চেয়ে বড়শি বেশী, বাবুদের ঘরপিছু একজন বড়শি।এমন আপদসঙ্কুলতার ভিতরও কবির আশ্চর্য চিত্রবুনোট, সর্বোপরি প্রাকৃত পারিপার্শ্বিকের জল-মৃৎ-সুবাতাসের ঘ্রাণগন্ধ কবিতা পাঠকের কাছে শুভঙ্কর বৈভব নিয়ে আসে।বৈরাগ্যের ভ্রান্তিবিলাস নয়, বরং কবি হারাধন বৈরাগী আমাদের প্রাপ্তি ঘটিয়ে দেন, এ রাজ্যের ছড়া-নদী-পাহাড় ও পাহাড়খণ্ডের মানুষ, তাদের লোকগল্পে কবিতায়ইতো কত-না চিরপদার্থের! 
                                    -- মিলনকান্তি দত্ত।