শান্তবালা হাসে
মাধুরী লোধ 
স্রোত প্রকাশনা 
প্রচ্ছদ 
প্রশান্ত সরকার 

মাধুরী লোধ কবি  গল্পকার  নাট্যকার  প্রবন্ধকার  ছড়াকার  ঔপন্যাসিক ‌। অভিনেত্রী ।
বাবা মনীন্দ্রকুমার লোধ ,মা রেণুকনা লোধ ।ঋষ্যমুখ।বর্তমান ঠিকানা বিলোনীয়া দক্ষিণ 
ত্রিপুরা ।শিক্ষাগত  যোগ্যতা ইতিহাসে অনার্স এম এ ।
পেশা  আয়ুর্বেদিক ফার্মাসিস্ট।রাজনগর হাসপাতালে কর্মরত । নেশা সৃজনশীল সাহিত্য রচনা ও
ফুল বাগান ফল বাগান পরিচর্যা করা । অবসরে বই পড়া । ফেসবুক এর মাধ্যমে অন্যের লেখা পড়া ও নিজের লেখা পাঠকদের কাছে উপস্থাপন করা ।
স্বামী শিক্ষক বাদল বসু একমাত্র সন্তান বিমান বসু 
পেশা নেশা ঘর গৃহস্থালী নিয়ে ব্যস্ত জীবন ।
অসংখ্য কবিতা, অসংখ্য ছোট গল্পের সৃষ্টিকারী মাধুরী লোধ সাহিত্য জীবনে প্রবেশ করেন কবিতা'র মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে। দীর্ঘ বছর লেখার জগতে আছেন।
আটটি উপন্যাস, ছাপা হয়েছে বিভিন্ন ম্যাগাজিন ও পত্রপত্রিকায় । প্রকাশিত বই গুলো হলো সেতু,বেবিনীর বিয়া, মুহুরী চরের মানদা, নবারুণ এর রাইফেল,ঝরঝরিযার ছোট গল্প নামক বই গুলো ।
২০০০সালে অদ্বৈত মল্লবর্মণ পুরস্কার , সাহিত্য একাডেমির গল্প পাঠের আসর-এ চারবার আমন্ত্রিত, ত্রি-ভাষিক সাহিত্য সন্মেলনে দু'বার আমন্ত্রিত হন।
দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় গল্প লিখে তিন বার পুরস্কার লাভ করেন ।
সাহিত্যকে ভালোবেসে নতুন নতুন কথা কাহিনী সৃষ্টি করে পাঠকের জন্য সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরা,সময় উপযোগী সাহিত্য রচনা তাঁর ভালো লাগে। পরিবেশনের মাধ্যমে সময় ও কালের কথা তুলে ধরা মূল লক্ষ্য । বাস্তবতা প্রকাশে প্রাকৃতিক রুপ 
সৌন্দর্য তুলে ধরেন অলংকার হিসেবে । পাঠক বন্ধুদের ভালোবাসা তাঁর লেখনীর শ্রেষ্ঠ অলংকার।১৯৭৭সাল থেকে শুরু হওয়া কাগজ কলম এর সাথে বন্ধুত্ব করে সৃজনশীল সাহিত্য রচনা এই সময় অবধি চলছে, আজীবন চালিয়ে যাবেন পাঠকদের সৌজন্যে এ হলো তাঁর দৃঢ় অঙ্গীকার ।
বর্তমান উপন্যাস শান্তবালা হাসে। 
বিশ্বাস পাঠকমহলে সমাদৃত হবেই।