এলেবেলে ছেলেবেলা :অলক দাশগুপ্ত আলোচনা :বিকাশরাই দেববর্মা
এলেবেলে ছেলেবেলা :অলক দাশগুপ্ত আলোচনা :বিকাশরাই দেববর্মা
গত কয়েকদিন ধরেই পড়ছিলাম অলক দাশগুপ্তের লেখা এই বইটি। মোট আটচল্লিশ টি ছোট ছোট ক্যাপসুল ঠুসে দিয়ে তৈরি এয়ারটাইট একটা ভেস্টিবিউল যেন। একবার ঢুকে পড়লেই হলো, এলোপাথাড়ি যেকোনও একটাতে সওয়ারী হলেই হলো, মিনিট দশেকের একটা নির্ভেজাল টাইম মেশিন ট্রিপ। প্রথম দিনেই কুড়ি বাইশ টা পড়ে ফেললাম, পরে মনে হলো এটা ঠিক হচ্ছেনা, একটু রয়ে সয়ে পড়া উচিত, নয়তো স্বাদ কোরকের উপর অত্যাচার হয়ে যেতে পারে, এমনকি স্বাদের সুপার ইম্পোজিশন হয়ে সব গুবলেট ( ককবরকে গুদক) হয়ে যেতে পারে। 'কটকটি'র ব্যপারটা আমার কাছে ক্লাসিক লাগলো। কোন বস্তুর এমন উদ্ভাবনী প্রয়োগ তাও মর্স এর ফর্মুলা মেনে, সত্যিই অভাবনীয়। রাগ উঠে সেই সব আকাট মুর্খ সব গার্জেন আর মাস্টারদের উপর। কোথায় উদ্ভাবনী শক্তির তারিফ করে তোল্লা দিবে, তা না করে গোটা ব্যপারটাকেই নিষিদ্ধ করতে উঠেপড়ে লাগলো।
প্রসঙ্গত বলতে হয়,এই সেদিনও পিসিমাদের আমলে, কতো আর হবে বড়জোর ৭০ /৮০ বছর আগেও দাংদু নামের একটা টু-ইন-ওয়ান ছোট্ট বাদ্যযন্ত্র সোমত্ত মেয়েদের প্রায় সবাই খোঁপায় গুঁজে রাখতো। খোঁপার অলঙ্কার হিসেবে তো বটেই , সাংকেতিক সংবাদ প্রেরক যন্ত্র হিসেবে ও তার চমৎকার উপযোগিতা ছিল। জানিনা, অলক বাবুর উল্লেখিত উঁচু ক্লাসের দিদিরা দাংদু সম্পর্কে ওয়াকিবহাল ছিলেন কিনা।
0 Comments