মধ্যরাতের ইন্দ্রধনু || বিজন বোস
মধ্যরাতের ইন্দ্রধনু ||বিজন বোস
জয় দেবনাথ
ইন্দ্রধনু কি? মধ্যরাতেই বা এর উপস্থিতি কেন? কবি কি পৃথিবীর নিয়ম বদলে দিতে চান? যদি চান, কেনই বা চান? কিসের এত কাতরতা? কিসের জন্য কবি এত কাতর? কবি কি চান মূলত?
এমন একটি কাব্যগ্রন্থ মানুষকে অস্থির করে তোলে তার চিন্তায় চেতনায়।
* "বুকের বোঁটায় নষ্ট পাখী/ ঠোঁটের কোণায় মাছি
মানবতা মূর্ছা গেছে/ উর্ধে দেখ হাসি"
* "চেতনার মনোপথে উদ্ভট হামাগুড়ি নেই / আছে প্রীতির আবহে/কাব্যিক প্রেমের উপাসনা।"
* "খড়ের চালায় আগুণ দিয়ে /সেতারে বুলাস হাত/ জাগবে যেদিন নর নারায়ণ/ কুর্সি হবে কাত!"
* "যৌবন করে অঙ্গীকার/ ঘুরে দাঁড়াবার/যায় যবে জান করো সমুন্নত শির /দিন আসবে, আসবেই একদিন সমতার!"
সমগ্র সংকলনে কবির কাতরতা আমাকে নেড়ে দিয়েছে। দিকভ্রান্ত হতে হতে জীবন কোথায় যেন থেমে যেতে চায়, কিন্তু থামে না। জীবন থামবার বিষয় নয়। জীবন একটা প্রক্রিয়া। তবু কবি অন্ধকার কাটিয়ে আলোর স্বপ্ন দেখিয়েছেন। কি সেই আলো সেটাও রহস্যে ঘেরা। দিন থাকতে মনভরে দিনের আলো দেখার সুযোগ মানুষের দিন দিন কমে যাচ্ছে। দুঃখ, কষ্ট নিসঙ্গতা যেন একে অপরের পরমাত্মীয়। এগুলো আর কতদিন? কবির ভাষায় "দুঃখ, কষ্ট নিসঙ্গতা এ আর কদ্দুর?"
মধ্যরাতের ইন্দ্রধনু
কবি : বিজন বোস
গৌরবের প্রচ্ছদ।
স্রোত প্রকাশনা
কথা বলতে বলতে হুটহাট থেমে যাওয়া আমার অভ্যাস। আমার নিজস্বতা। তাই থেমে গেলাম।
শুভ কবিতা দিবস বন্ধুরা।
0 Comments